টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বেও দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। গ্রুপ পর্ব শেষে সুপার এইট শুরুর আগে ম্যাচ অফিসিয়ালদের তালিকা প্রকাশ করেছে International Cricket Council (আইসিসি), যেখানে জায়গা পেয়েছেন এই বাংলাদেশি আম্পায়ার। সুপার এইট পর্বে একটি ম্যাচ পরিচালনা করবেন তিনি।
গ্রুপ পর্বের ৪০ ম্যাচ শেষে আট দল টিকে আছে শিরোপার লড়াইয়ে। শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে সুপার এইটের খেলা। উদ্বোধনী ম্যাচে কলম্বোতে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান। এ ম্যাচে মাঠের আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন রডনি ট্যাকার ও পল রিফেল। টিভি আম্পায়ার আল্লাহউদ্দিন পালেকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার স্যাম নোগাজস্কি।
২২ ফেব্রুয়ারি ক্যান্ডিতে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দায়িত্বে থাকবেন আহসান রাজা ও এড্রিয়ান হোল্ডস্টক। একই ভেন্যুতে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ম্যাচ পরিচালনা করবেন নোগাজস্কি ও নিতীন মেনন। ২৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে আম্পায়ার থাকবেন পালেকার ও আসিফ ইয়াকুব।
গ্রুপ ‘১’-এর লড়াই শুরু হবে ২২ ফেব্রুয়ারি ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে। এ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করবেন রিচার্ড কেটলবারো ও ক্রিস গ্যাফানি। টিভি আম্পায়ার অ্যালেক্স ওয়ার্ফ এবং চতুর্থ আম্পায়ার ক্রিস ব্রাউন। ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারত-জিম্বাবুয়ে ম্যাচে থাকবেন ওয়ার্ফ ও কেটলবারো। আর ১ মার্চ কলকাতায় ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে মাঠে থাকবেন গ্যাফানি ও ওয়ার্ফ।
২৩ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ পরিচালনা করবেন রিচার্ড ইলিংওর্থ ও জয়ারামণ মাদানাগোপাল। ২৬ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশের সৈকত ও কুমার ধর্মসেনা। এছাড়া ১ মার্চ দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ম্যাচেও ধর্মসেনা ইলিংওর্থের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
সুপার এইট পর্বে ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রঞ্জন মাডুগালে, অ্যান্ড্রু পাইক্রফট, রিচি রিচার্ডসন ও জাভাগাল শ্রীনাথ। সব মিলিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই পর্বে অভিজ্ঞ ও স্বীকৃত আম্পায়ারদের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন সৈকত, যা দেশের ক্রিকেটের জন্যও গর্বের বিষয়।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ রেজাউল হক(রনি),
কারিগরি সহযোগিতায়: অক্ষ টেক